জনতার কন্ঠ ডেস্ক
কক্সবাজারে ইয়াবা উদ্ধার করে মামলায় কম দেখানো ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে র্যাব-১৫ ব্যাটালিয়ন অধিনায়কসহ ৩ শতাধিক সদস্যকে বদলি করা হয়েছে।গত কয়েকদিন আগে কুতুপালং র্যাব ক্যাম্পের কর্মকর্তা পুলিশের ৩০ ব্যাচের কামরুজ্জামান একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নগদ ৬০ লক্ষ টাকা ও ৪ লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট আটকের পর ভাগ–বাটোয়ারা করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।র্যাবের প্রতিটি কর্মকর্তারই নিজস্ব এফএস (ফিল্ড স্টাফ) থাকে। পুলিশের গোয়েন্দা শাখার মত এরা সিভিল টিম হিসেবে কাজ করে তথ্য সরবরাহ করে। কক্সবাজারে কথিত এই সিভিল টিমই ইয়াবা ব্যবসায়ীসহ চোরাকারবারীদের সাথে যোগাযোগ করে অপরাধী সহায়তা করে বিনিময় আদায় করে ভাগ–বাটোয়ারা।কথিত সিভিল টিমের কর্পোরাল ইমাম ও লুৎফর সরাসরি সিও–এর সাথে কাজ করতো। তারা বড় বড় চোরাকারবারিদের সাথে যোগাযোগ করার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও কর্মকর্তা এহেতেশাম ও নাজমুলের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রত্যাহার করা হয়েছে কক্সবাজার র্যাবের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল ইসলামকে। তাকে সংযুক্ত করা হয়েছে র্যাব সদর দপ্তরে। একই সাথে বদলি করা হয়েছে সামরিক বাহিনী থেকে আসা টু–আইসি–সহ সকল কর্মকর্তাকে।