জনতার কন্ঠ ডেস্ক
সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি মিলন কা’রাগারে, স্ত্রী প’লাতক রয়েছে। প্রতারণার মা’মলায় পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি হামিদুল আলম মিলনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন বগুড়ার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। সোমবার(২৪নবেম্বর) দুপুরে তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিন চান। তবে বিচারক মেহেদী হাসান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে তার স্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী শাহাজাদী আলম লিপির বিরুদ্ধে গ্রে’প্তা’রি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়া কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক শহীদুল ইসলাম।গত বছরের ২১ আগস্ট জাহেদুর রহমান তোফা প্রতারণার অভিযোগে মিলন দম্পতির বিরু’দ্ধে প্রথম মা’মলাটি করেন। এ ছাড়া নূর আলম ও ফোরকান আলী নামে আরও দুজন পৃথক দুইটি মা’মলা করেছেন। সবগুলো মামলায় অভিযোগ— মেধা কনস্ট্রাকশনের ‘মেধা শাহ ক্যাসেল’ প্রকল্পে ফ্ল্যাট বিক্রির নামে মিলন দম্পতি একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর চুক্তি অনুযায়ী ফ্ল্যাট হস্তান্তর করেননি এবং একই ফ্ল্যাট একাধিকজনকে বরাদ্দ দিয়েছেন।আদালত সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের পেছনে ১০তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয় মিলন দম্পতির প্রতিষ্ঠান মেধা কনস্ট্রাকশন। জমির মালিকদের সঙ্গে চুক্তি করেও পরবর্তীতে অন্য ব্যক্তির কাছে ফ্ল্যাট বিক্রি করা হয় বলে অ’ভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় দ’ণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় মা’মলা দায়ের হয়।এক মা’মলার আইনজীবী আব্দুল হান্নান পলাশ জানান, বাদল সিদ্দিকী ও মিন্টুসহ তিনজনের কাছে বরাদ্দকৃত ফ্ল্যাট পরবর্তীতে আরেকজনের কাছে বিক্রি করে প্রতারণা করা হয়েছে।অভিযুক্ত হামিদুল আলম মিলনের বাড়ি বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় হলেও তিনি শহরের মালতিনগরের মেধা টাওয়ারে বসবাস করতেন। তার স্ত্রী শাহাজাদী আলম লিপি আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বগুড়া-১ আসনে সংসদ নির্বাচন করেছিলেন। স্ত্রীর নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় ভূমিকা রাখায় শৃ’ঙ্খলাভ’ঙ্গের দায়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশে অতিরিক্ত ডিআইজি মিলনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।আইনজীবীরা জানান, মা’মলাগুলোর তদন্ত এগিয়ে চলছে। মিলন দম্পতির বিরু’দ্ধে আনা অ’ভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরু’দ্ধে কঠোর শা’স্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।এদিকে, আদালত চত্বরে ভুক্তভো’গীরা রায় নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত বি’চার কার্যক্রম শেষের দাবি জানান।