শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ঃ হাটের জায়গা আওয়ামী দোসরদের দখলে সখিপুর পৌরসভার হাটের ইজারামূল্য ৮৫লাখ টাকা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩১৭ বার পড়া হয়েছে

জনতার কন্ঠ ডেস্ক
টাঙ্গাইলের সখিপুর পৌরসভার হাটের ইজারামূল্য ৮৫লাখ টাকা,পেরিফেরিভুক্ত হাটের অধিকাংশ জায়গা আওয়ামী দোসরদের দখলে,নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য উর্ধ্বমুখী। এমনকি ঢাকার চেয়েও সখিপুরে সবকিছুর দাম বেশি। কেউ নিচ্ছে না কার্যকরী পদক্ষেপ। সখিপুর পৌর হাটের পেরিফেরিভুক্ত জমির পরিমান ৬৭শতাংশ। এর মধ্যে বটতলার আশে-পাশে অধিকাংশ জমি, দুইটি ডাকবাংলো মার্কেট,সপ লাইসেন্স এর দোকান আওয়ামী দোসরদের দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীরা বার বার পৌর প্রশাসক-উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল রনীকে জানানোর পরও কোন কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন করেননি। সর্বোচ্চ ৮৫লাখ টাকা দিয়ে পৌর হাটটি ইজারা নিয়েছেন সখিপুর বাজার বনিক বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ এর সহ-সভাপতি বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম। হাটটির পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় ও অধিকাংশ জায়গা জবর-দখল হওয়ায় প্রতি সপ্তাহে শুক্রবার,মঙ্গলবার হাটের দিন সড়কের উপর বিক্রেতারা তাদের বিক্রিত দ্রব্যাদি নিয়ে বসে পড়ে। ফলে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। ১শত টাকার দ্রব্যাদি বিক্রি করলে খাজনা দিতে হয় ৫০টাকা। এই হাটে ফলমূল,শাকসবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি উচ্চমূল্যে ক্রয় করতে হয়,যা ঢাকার চেয়েও এই হাটে দাম বেশি। আব্দুল করিম নামে এক বিক্রেতা বলেন,যা নিয়েই আসি না কেন? ২০০টাকা বিক্রি করলে ১০০শত টাকা খাজনা দিতে হয়। এই খাজনার কারনে ক্রেতাদের ১০টাকার জিনিস ৪০টাকা দিয়ে ক্রয় করতে হয়। বিক্রেতারাও কাংখিত লাভবান হচ্ছেন না। সখিপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আবু হানিফ আজাদ রেনাজ হল থেকে কাঁচাবাজার পর্যন্ত সপ লাইসেন্স এর নামে নিজে ও নিজের আতœীয়স্বজন,পৌর কর্মকর্তা/কর্মচারী,উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের নামে দোকান বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বটতলা ও এর আশে পাশে পেরিফেরিভুক্ত জমি আওয়ামী দোসররা জবর-দখল করে অট্রালিকা নির্মান করেছে। ডাকবাংলো দুইটি মার্কেটের দোকান বিগত পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দাপটে আওয়ামী নেতা/কর্মীদের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে,অদ্যবধি বরাদ্দ রয়েছে। একইভাবে উপজেলা পরিষদের দোকানও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইজারাদার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রায় এক কোটি টাকা দিয়ে পৌর হাট ইজারা নিয়েছি,এই টাকা উত্তোলন করার জন্য যা যা করনীয় তাই করছি। ইজারামূল্য বেশি,পেরিফেরিভুক্ত হাটের জমি জবর-দখল ও দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি প্রসঙ্গে পৌর প্রশাসক,উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রনী বলেন, এ বছর পৌর হাট ইজারা দেওয়া হয়ে গেছে, জনগনের সুবিধার্থে আগামী বছর কি করা যায়? সেটা দেখতে হবে।

সংবাদটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ