রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন

সখিপুরে তালিম ঘরে”ক্যাম্পস” আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ও চক্ষু ক্যাম্প 

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে
জনতার কন্ঠ ডেস্ক 
কিডনি অ্যাওয়ারনেস মনিটরিং এন্ড প্রিভেনশন সোসাইটি (ক্যাম্পস’র) আয়োজনে  প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও সখিপুর উপজেলার হাতীবান্ধা ইউনিয়নের তালিমঘরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২২ তম ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে  সখিপুর ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা ও বিনামূল্যে ঔষধ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও রোগীদের চোখের ছানী অপারেশন ও লেন্স প্রতিস্থাপনের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে আগত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিনব্যাপী রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করেন।  শনিবার(২১ফেব্রুয়ারি)সকালে  শহীদ দিবস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে তালিম ঘরে ফ্রি মেডিকেল ও চক্ষু ক্যাম্পের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন দেশের শীর্ষস্থানীয় কিডনি বিশেষজ্ঞ এবং ক্যাম্পসের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা: এম এ সামাদ। অধ্যাপক ডা: এম এ সামাদের তত্ত্বাবধানে ও সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী বিভিন্ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সবার জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য উপস্থাপন করেন,  আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের কিডনী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান  অধ্যাপক ডা: এম এ সামাদ , কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আব্দুল হালিম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আমিন শরীফ সুপন, বীর মুক্তিযোদ্ধা উপজেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি  শাহজাহান সাজু, সহ-সভাপতি আকবর হোসেন,কান্ট্রি ডিরেক্টর সিঙ্গাপুর আনিসুর রহমান,  সখিপুর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হক, বেগম নাসরিন আক্তার সহ প্রমুখ। এছাড়া উক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকগণ।সবার জন্য কিডনী স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয় শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্যাম্পস’র প্রতিষ্ঠাতা ও আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কিডনী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা: এম এ সামাদ। তিনি বলেন, এক সময় ছিল যখন কলেরা, কালাজ্বর, গুটিবসন্ত, প্লেগ, ম্যালেরিয়া ইত্যাদির সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে বেশিরভাগ মানুষের অকাল মৃত্যু হতো। গ্রামের পর গ্রাম উজাড় হয়ে যেত। বর্তমানের চিত্র বদলে গেছে। এখন প্রতিবছর প্রায় পাঁচ কোটি মৃত্যুর মধ্যে চারকোটি মৃত্যু ঘটে অসংক্রামক ব্যাধিতে। আমাদের দেশে প্রায় ৭০ ভাগ মৃত্যু ঘটে এই অসংক্রামক রোগের কারণে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে এক বছরের যত মৃত্যু হয় তার ৫০ ভাগেরও বেশি ক্ষেত্রে কোন না কোনভাবে কিডনি রোগ সম্পৃক্ত আছে। আমরা জানি কোভিড-১৯  মহামারীতে যত মানুষ কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে তার চেয়ে বেশি লোক মারা গেছে হৃদরোগ, কিডনি বিকল, ক্যান্সারসহ অনেক চিকিৎসাযোগ্য সংক্রামক ব্যাধিতে। আমরা জানি কিডনি সম্পূর্ণ বিকল হয়ে গেলে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন ডায়ালাইসিস এবং কিডনি সংযোজন। ডায়ালাইসিস সাধারণত সপ্তাহে দুই দিন করতে হয়। কিডনি সংযোজনের জন্য রোগীদের নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে। ঔষধ নিয়মিত না খেলে সংযোজিত কিডনি বাতিল হয়ে যেতে পারে। তেমনি অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী অসংক্রামক রোগের চিকিৎসা সাময়িক বন্ধ থাকলে জটিল আকার ধারণ করে অকাল মৃত্যু হতে পারে।

সংবাদটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ